ঢাকা ০৬:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo নোয়াখালীতে চার ফ্ল্যাটে দুর্ধর্ষ চুরি, ২৫ ভরি স্বর্ণসহ ১০ লাখ টাকা লুট Logo নোয়াখালীতে জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকীতে দোয়া ও মেজবানি Logo নোয়াখালীতে তার চুরিকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, পুলিশসহ আহত ২৫ Logo নোবিপ্রবিতে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী পালন Logo Logo বিয়ের ১০ বছর পর ৭ সন্তানের জন্ম, বাঁচল না কেউ Logo নোয়াখালীতে অটোরিকশায় মাইক বেঁধে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়া সেই যুবক আটক Logo নোয়াখালীর চাটখিলে ওজনে কারচুপি, মৎস্য আড়তকে জরিমানা Logo নোয়াখালীতে ছাড়পত্রহীন মুরগির খামার: পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যে বাড়ছে ঝুঁকি? Logo নোয়াখালীতে ছেলের নির্যাতনের অপমান সইতে না পেরে বাবার মৃত্যু, বাড়িছাড়া মা;

মাইজদীতে ৩৭১৫ পিস ইয়াবাসহ দুই নারী আটক

নিজস্ব সংবাদ :

 

🔵 ‎নোয়াখালীর সুধারাম মডেল থানাধীন মাইজদী এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৩,৭১৫ পিস ইয়াবাসহ দুই নারীকে আটক করেছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর যৌথ টিম। ‎

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) নোয়াখালী-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পূর্ব পাশে মাইজদীর মেসার্স আবদুল হক ফিলিং স্টেশনের সামনে থেকে তাদের আটক করা হয়।

‎আটককৃতরা হলেন: ১) তানিয়া আক্তার (৩৩), স্বামী: মোঃ মোবারক, সাং- মানিকপুর (মাসনের বাড়ি), ০৬নং ওয়ার্ড, চকরিয়া, কক্সবাজার। ২) জুলেখা (২২), পিতা: মৃত হোসেন আহমদ, সাং- পশ্চিম গজালিয়া, ০৯নং ওয়ার্ড, ইসলামাবাদ ইউপি, চকরিয়া, কক্সবাজার।

‎অভিযান সূত্রে জানা যায়, কক্সবাজার থেকে নোয়াখালীতে ইয়াবা পাচারের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) নোয়াখালী জেলা কার্যালয়, জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) এবং র‍্যাব-৭, সিপিসি-১, ফেনী এর সমন্বয়ে একটি যৌথ টিম অভিযান পরিচালনা করে।
‎টিমটি আগে থেকেই অবস্থান নিয়ে আসামীদের অনুসরণ করতে থাকে। পরে তারা মাইজদীতে পৌঁছালে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

‎উদ্ধারকৃত আলামত: ইয়াবা ট্যাবলেট মোট ৩,৭১৫ পিস (ওজন ৩৫২ গ্রাম)। তানিয়া আক্তারের কাছ থেকে: ২,০০০ পিস। জুলেখার কাছ থেকে: ১,৭১৫ পিস। সীমযুক্ত বাটন মোবাইল: ১টি। স্মার্টফোন: ১টি। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা স্বীকার করেন, তারা কক্সবাজারের চকরিয়া এলাকার পেশাদার ইয়াবা পাচারকারী। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে ফাঁকি দিতে তারা পাচারের সময় ১৫ মাস বয়সী শিশুকে সঙ্গে রাখতেন, যা এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

‎তারা আরও জানান, এর আগেও কয়েকবার নোয়াখালীতে ইয়াবা সরবরাহ করেছেন এবং প্রতি চালানে ৩০-৪০ হাজার টাকা পারিশ্রমিক পেতেন।

‎আটককৃতদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট নেটওয়ার্ক শনাক্তে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

‎এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৬(১) ধারার সারনির ক্রমিক নং-১০(খ) ও ৪১ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ডিএনসি নোয়াখালীর পরিদর্শক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে সুধারাম মডেল থানায় মামলাটি করেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৭:১১:২৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
৯৭ বার পড়া হয়েছে

মাইজদীতে ৩৭১৫ পিস ইয়াবাসহ দুই নারী আটক

আপডেট সময় ০৭:১১:২৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

 

🔵 ‎নোয়াখালীর সুধারাম মডেল থানাধীন মাইজদী এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৩,৭১৫ পিস ইয়াবাসহ দুই নারীকে আটক করেছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর যৌথ টিম। ‎

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) নোয়াখালী-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পূর্ব পাশে মাইজদীর মেসার্স আবদুল হক ফিলিং স্টেশনের সামনে থেকে তাদের আটক করা হয়।

‎আটককৃতরা হলেন: ১) তানিয়া আক্তার (৩৩), স্বামী: মোঃ মোবারক, সাং- মানিকপুর (মাসনের বাড়ি), ০৬নং ওয়ার্ড, চকরিয়া, কক্সবাজার। ২) জুলেখা (২২), পিতা: মৃত হোসেন আহমদ, সাং- পশ্চিম গজালিয়া, ০৯নং ওয়ার্ড, ইসলামাবাদ ইউপি, চকরিয়া, কক্সবাজার।

‎অভিযান সূত্রে জানা যায়, কক্সবাজার থেকে নোয়াখালীতে ইয়াবা পাচারের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) নোয়াখালী জেলা কার্যালয়, জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) এবং র‍্যাব-৭, সিপিসি-১, ফেনী এর সমন্বয়ে একটি যৌথ টিম অভিযান পরিচালনা করে।
‎টিমটি আগে থেকেই অবস্থান নিয়ে আসামীদের অনুসরণ করতে থাকে। পরে তারা মাইজদীতে পৌঁছালে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

‎উদ্ধারকৃত আলামত: ইয়াবা ট্যাবলেট মোট ৩,৭১৫ পিস (ওজন ৩৫২ গ্রাম)। তানিয়া আক্তারের কাছ থেকে: ২,০০০ পিস। জুলেখার কাছ থেকে: ১,৭১৫ পিস। সীমযুক্ত বাটন মোবাইল: ১টি। স্মার্টফোন: ১টি। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা স্বীকার করেন, তারা কক্সবাজারের চকরিয়া এলাকার পেশাদার ইয়াবা পাচারকারী। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে ফাঁকি দিতে তারা পাচারের সময় ১৫ মাস বয়সী শিশুকে সঙ্গে রাখতেন, যা এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

‎তারা আরও জানান, এর আগেও কয়েকবার নোয়াখালীতে ইয়াবা সরবরাহ করেছেন এবং প্রতি চালানে ৩০-৪০ হাজার টাকা পারিশ্রমিক পেতেন।

‎আটককৃতদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট নেটওয়ার্ক শনাক্তে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

‎এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৬(১) ধারার সারনির ক্রমিক নং-১০(খ) ও ৪১ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ডিএনসি নোয়াখালীর পরিদর্শক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে সুধারাম মডেল থানায় মামলাটি করেন।